শেরপুরে ডেভেলপারস লিঃ এর পরিচালক লিটনের বিরুদ্ধে প্রতারিতদের মানববন্ধন
স্টাফ রিপোর্টার: শেরপুর জেলার সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের বাসিন্দা জনৈক হামিদ মাস্টারের ছেলে সাবেক সেনা সদস্য ও ব্রাইট ফিউচার হোল্ডিং লিমিটেড এবং বেষ্ট হোম ডেভেলপারস লিঃ এর পরিচালক প্রতারক মো. ইমদাদুল হক লিটন কর্তৃক কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ১৩ আগস্ট রোববার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে মানববন্ধন করেছে প্রতারিত ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের খাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ইমদাদুল হক লিটন নিজেকে ওই ডেভেলপারস কোম্পানির ২২নং পরিচালক বলে শেরপুর জেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে পরিচয় দিয়ে সেনা সদস্য, শিক্ষক ও নানা পেশাজীবী মানুষদের ঢাকার আশুলিয়াসহ অন্যান্য স্থান আকর্ষণীয় জমির প্লট বরাদ্দ দেয়ার নাম করে প্রায় ৩০/৪০ জনকে আকৃষ্ট করে এবং এসব মানুষের কাছ থেকে আনুমানিক ৮/১০ কোটি টাকা কৌশলে হাতিয়ে নেন। পরবর্তী সময় অনুযায়ী তাদেরকে জমির প্লট না দেয়া হলে ওইসব মানুষ বুঝতে পারেন নামধারী ডেভেলাপরস পরিচালক এক প্রতারক এবং তাদেরকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাত করেছে। এদিকে প্রতারিতরা জমির প্লট ও তাদের দেয়া টাকা ফেরত না পেয়ে অবশেষে ২২ জন আদালতে ইমদাদুল হক লিটনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় সে গ্রেফতার হয় এবং আদালতের মাধ্যমে তাকে শেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ইমদাদুল হক লিটন কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে আসেন। জানা গেছে, প্রতারক ইমদাদুল হক লিটনের বিরুদ্ধে দুই ডজন মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মানববন্ধনে আসা ভুক্তভোগীদের মধ্য সেনাবাহিনার অবঃপ্রাপ্ত ওয়ারেন্ট অফিসার মো. জুবের আলী তার বক্তব্যেয় বলেন, প্রতারনার মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া ইমদাদুল হক লিটন তার সহায় সম্বল জমিজমা বিক্রি করে বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন বলে এমনটাই আশংকা করছেন তারা। এব্যাপারে ওই ভুক্তভোগীরা বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. আতিউর রহমান আতিক এমপি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
